মিলাদের নামে ৫০০ টাকা করে বেশি নিলেন প্রধান শিক্ষক

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে অবশেষে গ্রে’ফতার হলেন মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কুতুবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও অফিস সহায়ককে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ।বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এক সদস্যের দা’য়ের করা মা’মলায় প্রধান শিক্ষক, আইসিটির সহকারী শিক্ষক ও অফিস সহায়ককে বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে গ্রে’ফতার করা হয়। দুপুরে তাদের জে’লহাজতে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, কুতুবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন, আইসিটির সহকারী শিক্ষক আলমগীর মণ্ডল ও অফিস সহায়ক লালন ফকিরের বি’রুদ্ধে মা’মলা করেছেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মতিউর রহমান।

চলতি বছর এসএসসির ফরম পূরণে ৫৩ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত ৫০০ টাকা করে নেয়ায় তাদের বি’রুদ্ধে মা’মলা করা হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্র’তারণা করে প্রধান শিক্ষক ২৬ হাজার ৫০০ টাকা বেশি নিয়েছেন বলে মা’মলার এজাহারে উল্লেখ করেছেন বা’দী।

এসএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা আদায়, প্রবেশপত্র ও সনদ বিতরণে অতিরিক্ত টাকা নেয়া ও দু’র্নীতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে গত কয়েকদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছিল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

সোমবার (০৯ ডিসেম্বর) প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে বি’ক্ষোভ করে উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজে’লা চেয়ারম্যানের গাড়ি ভাঙচুর করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় ৫০ রাউন্ড গু’লি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

ওই দিন রাতেই অ’ভিযান চালিয়ে উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজে’লা চেয়ারম্যানের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ২২ জনকে আ’টক করে পুলিশ।

প্রধান শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেন বলেন, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে মিলাদের জন্য অতিরিক্ত কিছু টাকা নেয়া হয়েছে। ওসব টাকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মিষ্টি বিতরণের জন্য খরচ করা হয়েছে।

মা’মলার ত’দন্ত কর্মকর্তা শিবচর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মীর নাজমুল হাসান বলেন, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির এক সদস্য প্রধান শিক্ষকসহ তিনজনের বি’রুদ্ধে মা’মলা করেছেন। তাদের তিনজনকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে।

শিবচর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যের দা’য়েরকৃত মা’মলায় প্রধান শিক্ষকসহ তিনজনকে গ্রে’ফতার করা হয়। দুপুরে তাদের কা’রাগারে পাঠানো হয়েছে।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *